আদেশ সংক্রান্ত গেজেট ও জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫।
জুলাই জাতীয় সনদে-২৫ এ প্রযুক্ত হতে যাওয়া স্থানীয় সরকারব্যবস্থায় বিকেন্দ্রিকরনের সঙ্গে স্বায়ত্তশাসন বাস্তবায়ন দ্বারা আসুন আমরা সিরাজগঞ্জ ও পাবনা বাদে বর্তমান রাজশাহী বিভাগ, রংপুর বিভাগ, জামালপুর ও শেরপুর জেলাসমূহ নিয়ে পুন্ড্র সভ্যতার চারণভূমি পুন্ড্রভূমি বা পুন্ড্রল্যান্ড প্রেসিডেন্সী বিভাগ গঠন করি। পুন্ড্রল্যান্ড এবং একই সঙ্গে বর্তমান ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সহ সিলেট বিভাগকে নিয়ে শক্তিশালী নিজস্ব আর্থিক সক্ষমতা ও কেন্দ্রীয় শাসনের প্রভাবমুক্ত স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার আদলে উত্তরবঙ্গ জোন গঠন করতে হবে। আন্তঃদেশীয় সাউথ এশিয়ান আর্থ-সামাজিক করিডোরের অংশ হিসেবে ত্রিপুরা থেকে রেল নেটওয়ার্ক হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের মধ্যে দিয়ে কিশোরগঞ্জ হয়ে ময়মনসিংহ জেলায় প্রবেশ করবে। ময়মনসিংহ থেকে জামালপুর এবং মেঘালয় থেকে শেরপুর-জামালপুর হয়ে সারিয়াকান্দির যমূনায় প্রস্তাবিত সেতু নির্মাণের মাধ্যমে বগুড়ায় প্রবেশ করবে। এরপর নাটোর-রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ হয়ে ভারতের মালদাহ জেলাতে প্রবেশ করবে। সড়কপথের নেটওয়ার্কও একইভাবে যুক্ত হতে হবে। প্রস্তাবিত রেল নেটওয়ার্ক নির্মাণ ও বিদ্যমান অংশ সংষ্কার করে ডাবল লাইন ডুয়েল গেজ এ পরিণত করতে হবে। আসুন আগামীতে অনুষ্ঠিতব্য গণভোটে জুলাই জাতীয় সনদ-২৫ কে সর্বাত্মকভাবে হাঁ সূচক ভোটে বিজয়ী করে জুলাই লাল আন্দোলনের সকল স্তরের শহীদের আত্মত্যাগের মহিমাকে সমৃদ্ধি ও প্রগতির পথচলার প্রেরণার উৎস হিসেবে চিরঞ্জীব করে তূলি। রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে আর্থ-সামাজিকতার উন্নয়নকে গ্ৰহণ করা হলে অর্থনৈতিক উন্নয়নের চাবিকাঠি হিসেবে আন্তঃদেশীয় কানেক্টিভিটির জন্য গতিশীল ও চলমান মেগা প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, নকশা প্রনয়ণে নির্ভূলতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ সমেত অহেতুক সময়ক্ষেপণ বন্ধে সুরক্ষা প্রদান করতে সম্ভব হবে। এতে দেশীয় রাজনীতি কোনক্রমেই বাহ্যিক শক্তির হীন এজেন্ডা বাস্তবায়নের দ্বারা অত্র অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া জনগণের অর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য নিয়োজিত আন্তঃদেশীয় কানেক্টিভিটির সড়ক ও রেল নেটওয়ার্কের কার্যক্রম ব্যহত না করতে পারে উল্লেখিত সাংবিধানিক মূলনীতিসমূহ প্রশাসনযন্ত্রকে হস্তক্ষেপমুক্ত করবে। এতে বৈদেশিক বিনিয়োগকারীরা তাদের বিনিয়োগের সংশ্লিষ্ট দেশের সাংবিধানিক সুরক্ষা ও টেকসই আইনি কাঠামোতে বিরুপ রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও তাদের উন্নয়ন ও উৎপাদনমূলক কার্যক্রম পরিচালনায় সার্বিক সহায়তা লাভ করবে।
পিন্ডি নয়, ইস্তাম্বুল নয়, আর ত নয় কোন অন্যদেশ।
অন্তরে আমার জুলাই জাতীয় সনদের চেতনা, প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ।।
আসুন আসন্ন গণভোটে জনগণ তান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের নিমিত্তে সর্বাত্মকভাবে জুলাই জাতীয় সনদকে হাঁ সূচক ভোটে বিজয়ী করি এবং সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী অ্যাডভোকেট গোবিন্দ প্রামাণিক সহ বিএমজেপির ব্যানারে সকল প্রার্থীকে দলমত, ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের বিপুল ভোটে বিজয়ী করি। বিএমজেপি বিশ্বাস করে বৈষম্য আর শোষণে যাঁতাকলে নির্মমভাবে নিষ্পেষিত ও অধিকার বঞ্চিত সকল জনগণই মুষ্টিমেয় শোষণকারী জনগণের অংশের কাছে অসহায় ও সংখ্যালঘু। বিএমজেপি সর্বদা সেই প্রবঞ্চিত সংখ্যালঘু মানুষের কন্ঠস্বর হিসেবে আগামীর সংসদে নিরাপদ ও উন্নত বাংলাদেশ গঠনে বলিষ্ঠ ভূমিকা নিতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। আগামীতে যেকোনো প্রয়োজনে হাজার হাজার বছর ধরে চলে আসা আবহমান ভৌগলিক চিরন্তন বঙ্গ সংস্কৃতিকে সাংবিধানিক ভাবে সমুন্নত রাখতে বিএমজেপি এদেশের আপামর জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সর্বদা সংগ্ৰাম করে যাবে। এত কিছুর পরও যদি বাঙালি হিন্দুরা গণভোটে 'না' সূচক ভোটে দিলে তাদের মত আত্মকেন্দ্রিক ও মূর্খ জাতি দ্বিতীয় টা হবে না। গণভোটে হাঁ সূচকে গণরায়ে ডঃ ইউনুস স্যারই হিন্দুদের জন্য সারপ্রাইজ দিবেন তা এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র। তারেক জিয়া ইতিমধ্যে নওগাঁ নির্বাচনী জনসভায় ইমাম সাহেব সহ সকল ধর্মের পুরোহিতদের জন্য সরকারী মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করার ঘোষণা করেছেন এবং এবং আগামী ১২ ইং ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে বিএনপি সরকার গঠন করলে নওগাঁর পূর্ব ও পশ্চিম অংশের মধ্যে প্রস্তাবিত রেলপথ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি আন্তঃদেশীয় কানেক্টিভিটির জন্য মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে যা বগুড়ার শান্তাহার জংশনকে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যমান রাজশাহী-চাঁপাই রেল নেটওয়ার্কের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করবে।
এনপিএর পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের বিদ্যমান শাসনকেন্দ্রিক ক্ষমতা-কাঠামো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনগণের পরিবর্তে শাসকগোষ্ঠীর অনুগত করে তুলেছে। এর ফলে জনগণের সুরক্ষার দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোই ক্ষমতা চর্চা ও সম্পদ আহরণের অংশীদারে পরিণত হয়েছে। এই পরিস্থিতির পরিবর্তনে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনগণের অধিকার রক্ষা ও সেবাভিত্তিক কাঠামোয় রূপান্তর করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে প্ল্যাটফর্মটি। এনপিএ তাদের ঘোষণায়— আইন বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগের পূর্ণ ও কার্যকর পৃথকীকরণ, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, আর্থিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও কেন্দ্রীয় প্রভাবমুক্ত শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা গঠনের দাবি জানায়।



Post a Comment